আপনি জানেন কি, কোন মাটি দিয়ে হযরত আদম (আঃ) কে তৈরি করা হয়েছিল

0
0

আপনি জানেন কি, কোন মাটি দিয়ে হযরত আদম (আঃ) কে তৈরি করা হয়েছিল 

আপনি জানেন কি, মহান আল্লাহ তায়ালা হযরত আদম (আঃ) কে কি ভাবে তৈরি করেছিলেন? অনেকেই জানেন। যারা জানেন না, তারা নিচের লেখাটি পড়লে সহজেই বুঝতে পারবেন। হযরত আদম (আঃ) কে তৈরির ইতিহাসঃ  আল্লাহ তাআলা হজরত আদম (আঃ) কে মাটি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। মাটি প্রক্রিয়াজাত করে তাঁরখামিরাপ্রস্তুত হওয়ার পূর্বেই আল্লাহ ফেরেশতাদের জানালেন, অচিরেই তিনি মাটি দিয়ে একটি নতুন সৃষ্টি তথা মাখলুক নির্মাণ করতে যাচ্ছেন। সেই মাখলুককেবাশার’ (মানুষ) বলা হবে এবং জমিনে সে আল্লাহ তাআলার প্রতিনিধিত্বের সম্মান লাভ করবে। হজরত আদম () কে তৈরির উদ্দেশ্যে বানানো খামিরা প্রক্রিয়াজাতকৃত মাটি থেকে প্রস্তুত করা হয়েছিলো এবং এমন মাটি থেকে প্রস্তুত করা হয়েছিলো, যা ছিলো প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল। খামিরমাটি দিয়ে সৃষ্ট আদমের দেহাবয়ব শুকিয়ে মাটির পাত্রের মতো হয়ে গেলো এবং তাতে আঘাত করলে ঠনঠন শব্দ হতে লাগলো। আল্লাহ তাআলা এই মাটিনির্মিত দেহাবয়বের ভেতরেরুহফুঁকে দিলেন এবং নিজের ইচ্ছাধীন শব্দকুন’ (হয়ে যাও) বললেন, অতঃপর সঙ্গেই সঙ্গেই তা মাংস, চর্ম, হাড়, রগ, শিরাউপশিরা বিশিষ্ট জীবন্ত মানুষ হয়ে গেলো এই মানবের ভেতরে অনুভূতি, ইচ্ছাশক্তি, জ্ঞানবুদ্ধি, শিক্ষালাভের প্রেরণা অসংখ্য মানবিক গুণাবলি দৃষ্ট হতে লাগলো। তখন ফেরেশতাদের প্রতি নির্দেশ জারি হলো, তোমরা এর প্রতি সিজদাবনত হও। সঙ্গে সঙ্গেই ফেরেশতা সকলেই আল্লাহ তাআলার আদেশ পালন করে সদ্যনির্মিত আদম (আঃ)কে সিজদা করলেন। হজরত আদম (আঃ) কে সৃষ্টির পূর্বাপর অবস্থা সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা কুরআনে কারিমে ইরশাদ করেছেন-‘আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করি (তোমাদের অস্তিত্বে নিয়ে আসি এবং এটাই আমার কাজ), তারপর তোমাদের (মানবজাতির) আকৃতি দান করি এবং তারপর (সেই সময় এলো যে আমি) ফেরেশতাদেরকে আদমকে সিজদা করতে বলি, ইবলিস ব্যতীত সবাই সিজদা করলো। (সে আমার আদেশ মানলো না।) সে সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হলো না।’ [সুরা আরাফ, আয়াত১১] অন্য একটি আয়াতে বলেছেন-‘আমি তো মানুষকে সৃষ্টি করেছি গন্ধযুক্ত কর্দমের শুষ্ক ঠনঠনা মাটি (শুষ্ক হয়ে খনখন শব্দে বাজে এমন খামিরাবিশিষ্ট মাটি) থেকে এবং তার আগে সৃষ্টি করেছি জিন অত্যুষ্ণ অগ্নি থেকে। স্মরণ করো, যখন তোমার প্রতিপালক ফেরেশতাগণকে বললেন, আমি গন্ধযুক্ত কর্দমের শুষ্ক ঠনঠনা মাটি থেকে মানুষ (মানবজাতি) সৃষ্টি করছি, যখন আমি তাকে (তার দেহাবয়বকে) সুঠাম করবো (সারকথা, তার অস্তিত্ব পূর্ণতায় পৌঁছে যাবে) এবং তাতে আমার পক্ষ থেকে রুহ (প্রাণ) সঞ্চার করবো তখন তার প্রতি সিজদাবনত হয়ো। তখন ফেরেশতাগণ সকলেই একত্রে সিজদা করলো, ইবলিস ব্যতীত, সে সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হতে অস্বকার করলো।’ (সুরা হিজর, আয়াত ২৬৩১

সূত্রঃ www.probasbangla.info

Please follow and like us:
0
0

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

call now
Poor News
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial