রামেক হাসপাতালে করোনায় একজনের মৃত্যু

0
0

রামেক হাসপাতালে করোনায় একজনের মৃত্যু


রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে আবদুল কুদ্দুস শাহ চৌধুরী (৫০) নামে এক করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোররাতে হাসপাতালের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
আবদুল কুদ্দুস শাহ চৌধুরী নওগাঁর সাপাহার উপজেলার বাসিন্দা। তার নাতি আবু সাঈদ চৌধুরী অনিক জানান, গত বুধবার (১৫ই জুলাই) আবদুল কুদ্দুস শাহ চৌধুরীর করোনা শনাক্ত হয়। কয়েকদিন আগে তিনি বাথরুমে পড়ে গিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তাকে রাজশাহীর বেসরকারি সিডিএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শ্বাসকষ্ট থাকায় পরে রামেক হাসপাতালে তার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। এরপর বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে তাকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রামেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডাঃ সাইফুল ফেরদৌস জানান, করোনা পজিটিভ থাকায় আবদুল কুদ্দুস শাহ চৌধুরীর মরদেহ দাফনের জন্য কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

করোনাভাইরাসে মারা গেলেন কলেজ শিক্ষক

 

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার হালসা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক মোজাহার আলী (৫৯) মারা গেছেন। শুক্রবার (১৭ই জুলাই) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার বাড়ি মিরপুর উপজেলার আটিগ্রাম এলাকায়। অধ্যাপক মোজাহার আলীর মৃত্যুর বিষয়টি তার বড় ছেলে অনিক নিশ্চিত করেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সর্দি, কাশি ও জ্বরে আক্রান্ত অধ্যাপক মোজাহার আলী ৮/১০ দিন নিজ বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। পরে তার অবস্থার কোনো উন্নতি না হওয়ায় গত ১২ই জুলাই কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। করোনা শনাক্তের পরপরই পরিবারের লোকজন তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে ৫দিন চিকিৎসার একপর্যায়ে শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে শ্বাসকষ্টসহ শারীরিক অন্যান্য জটিলতায় তার অবস্থার অবনতি হয়। একপর্যায়ে তিনি মারা যান।
অধ্যাপক মোজাহার আলী দুই সন্তানের জনক ছিলেন। তার মৃত্যুতে কুষ্টিয়ার শিক্ষক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। হালসা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক জহুরুল হক তার শোকসন্তপ্ত পরিববারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
এ নিয়ে কুষ্টিয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২৩ জনের মৃত্যু হলো। মৃতদের মধ্যে পুরুষ ১৯ জন এবং নারী চারজন।

সিলেট বিভাগে করোনায় আরও ৩ জনের মৃত্যু

সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে সিলেটের দু’জন ও সুনামগঞ্জের একজন রয়েছেন। এ নিয়ে সিলেট বিভাগে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১১৩ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ৮৫ জন, সুনামগঞ্জে ১২ জন, হবিগঞ্জে ৮জন ও মৌলভীবাজারে ৮জন মারা গেছেন।
একই সময়ে বিভাগে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আরও ১২২ জন। এ নিয়ে বিভাগে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৬ হাজার ৪০৬ জন। আক্রান্তের আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মোট করোনা আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৪০ ভাগই সুস্থ হয়েছেন। অনেকে সুস্থ হয়ে আবার কাজে যোগ দিয়েছেন। বর্তমানে বিভাগে করোনা রোগী রয়েছেন ৩ হাজার ৮৬১ জন।

শুক্রবার (১৭ই জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সুলতানা রাজিয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সিলেট বিভাগে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত দুই হাজার ৫৪৫ জন করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়েছেন। এর মধ্যে সিলেট জেলার ৭৫২ জন, সুনামগঞ্জের ৯১৮ জন, হবিগঞ্জের ৪৬৬ জন ও মৌলভীবাজারের ৪০৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন আরও ৫০ জন করোনা রোগী।

শুক্রবার সকাল পর্যন্ত সিলেট বিভাগে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার ৪০৬ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৩২৩ জন, সুনামগঞ্জে ১ হাজার ২৪৯ জন, হবিগঞ্জে ১ হাজার ১৭ জন ও মৌলভীবাজারের ৮১৭ জন রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২২ জনকে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট জেলার ৫২ জন, সুনামগঞ্জের ১৪ জন, হবিগঞ্জের ২২ জন এবং মৌলভীবাজার জেলার ৩৪ জন রয়েছেন।
করোনা আক্রান্ত ২১৩ জন বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এর মধ্যে সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতালে ৯০ জন, সুনামগঞ্জে ৩৮ জন, হবিগঞ্জে ৬০ জন ও মৌলভীবাজারে ২৫ জন চিকিৎসাধীন।

সাতক্ষীরায় করোনার উপসর্গ নিয়ে ৩ জনের মৃত্যু

করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তাসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৭ই জুলাই) ভোর থেকে দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
এরা হলেন-সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদহা গ্রামের মহিবুর রহমানের ছেলে কৃষক বেলাল হোসেন (৫৫), শহরের পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকার রমজান আলীর ছেলে অগ্রণী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত ম্যানেজার গোলাম ইছাহাক (৯০) ও শহরের মুন্সিপাড়ার গহর আলীর ছেলে ইব্রাহীম হোসেন (৬০)।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ রফিকুল ইসলাম জানান, ১২ই জুলাই জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালের আইসোলেশনে ভর্তি হন কৃষক বেলাল হোসেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোরে তিনি মারা যান। ১৩ই জুলাই তার নমুনা সংগ্রহ করে পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হলেও রিপোর্ট এখনও পাওয়া যায়নি। ১৫ই জুলাই জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি হন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা গোলাম ইছাহাক। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তিনিও মারা যান। ১৬ই জুলাই তার নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হলেও রিপোর্ট পাওয়া যায়নি।

অপরদিকে বেলা ১১টার দিকে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে আইসোলেশনে ভর্তি হন শহরের মুন্সিপাড়ার ইব্রাহীম হোসেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনিও মারা যান। মারা যাওয়ার পর তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

করোনায় মারা গেলেন সমবায় ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী মোঃ আফজাল হোসেন নিসার (৫৭) মারা গেছেন। শুক্রবার (১৭ই জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

চৌধুরী মোঃ আফজাল হোসেন নিসার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের চিনাইর গ্রামে। তবে পরিবার নিয়ে তিনি জেলা শহরের বণিকপাড়ায় থাকতেন।

চৌধুরী মোঃ আফজাল হোসেন নিসারের মৃত্যুর বিষয়টি তার ছেলে তানভীর চৌধুরী নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ২লা জুলাই প্রথমবার তার বাবার করোনাভাইরাস পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ আসে। পরে ৭ই জুলাই দ্বিতীয়বারের পরীক্ষায় পজিটিভ রিপোর্ট আসে। ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। সেখানেই শুক্রবার রাতে তার বাবা মারা গেছেন।

করোনায় পাইকগাছা উপজেলা চেয়ারম্যানের মৃত্যু

খুলনায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী মোহাম্মদ আলী মারা গেছেন। শুক্রবার (১৭ই জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক দফতর সম্পাদক মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ জানান, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী মোহাম্মদ আলী দীর্ঘদিন যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত ছিলেন। গত ৫/৭ দিন যাবৎ তিনি জ্বরে আক্রান্ত হন। শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে নগরীর সিদ্দিকীয় মহল্লার সোনারবাংলা গলির বাসায় তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। সঙ্গে সঙ্গে তাকে গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ বলেন, গাজী মোহাম্মদ আলীর করোনা পরীক্ষার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজে নমুনা দেয়া হয়। সেখান থেকে করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। তার মৃত্যুতে নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন।

এদিকে করোনার উপসর্গ নিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ও আইসোলেশন ওয়ার্ডের ফোকাল পার্সন ডা. মিজানুর রহমান জানান, যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার চালিশিয়া গ্রামের বাসিন্দা ইদ্রিস মোল্লার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (৬৮) গত কয়েকদিন ধরে জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। বৃহস্পতিবার (১৬ই জুলাই) রাত ১১টায় তিনি হাসপাতালের করোনা সাসপেক্টেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টায় তার মৃত্যু হয়।
এছাড়াও একই উপজেলার একতাপুর গ্রামের বাসিন্দা নিমাই চাঁদের ছেলে বাদল কুসুম (৫২) করোনা উপসর্গ নিয়ে শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টায় করোনা সাসপেক্টেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ৭টায় তার মৃত্যু হয়। করোনা পরীক্ষার জন্য তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

মেহেরপুরে একজনের মৃত্যু, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানসহ আক্রান্ত ৫

মেহেরপুরে করোনায় এক কৃষকের মৃত্যু ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম রসুলসহ (৬২) নতুন করে পাঁচজন আক্রান্ত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৭ই জুলাই) ১৭টি নমুনা পরীক্ষা করলে গোলাম রসূলসহ নতুন করে পাঁচজনের পজেটিভ রিপোর্ট আসে। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১২৫ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৭৬ জন।

অপরদিকে করোনায় মেহেরপুর শহরের এশিয়ানেট পাড়ার কৃষক হামিদুল ইসলাম (৫০) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মারা যান তিনি। এ নিয়ে জেলায় এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাাঁড়ালো সাত জনে।

মেহেরপুর সিভিল সার্জন সূত্রে জানা গেছে, মেহেরপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রসুল বেশ কয়েকদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। করোনা সন্দেহ হলে বৃহস্পতিবার সকালে তার ও পরিবারের কয়েকজনের নমুনা সংগ্রহ করে স্বাস্থ্য বিভাগ। এর মধ্যে গোলাম রসুল ও তার পরিবারের আরও একজন করোনা শনাক্ত হয়েছেন।

আক্রান্ত অপর তিনজন হলেন, শহরের বামন পাড়ার ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি, ফুল বাগান পাড়ার এক বৃদ্ধা এবং উত্তর শালিকা গ্রামের এক যুবক।

সিভিল সার্জন ডা. নাসির উদ্দিন জানান, আক্রান্ত সকলে স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হয়েছেন। তাদেরকে নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

এদিকে করোনায় মারা যাওয়া হামিদুলের মরদেহ ঢাকা থেকে নিজ বাড়িতে আনার প্রক্রিয়া চলছে। জানা গেছে, প্রায় তিন সপ্তাহ আগে কৃষক হামিদুল ইসলাম করোনা শনাক্ত হয়েছিলেন। নিজ বাড়িতে চিকিৎসক কন্যার দেখভালে ছিলেন তিনি। কয়েকদিন পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার আরও অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মারা যান কৃষক হামিদুল ইসলাম।

কেন্দুয়ায় করোনা উপসর্গ নিয়ে গ্রাম্য কবিরাজের মৃত্যু

করোনা উপসর্গ নিয়ে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় আরাধন বর্মণ (৬২) নামের এক গ্রাম্য কবিরাজের মৃত্যু হয়েছে। তিনি কেন্দুয়া উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের সাহিতপুর গ্রামের মৃত ধরণী বর্মণের ছেলে।

শুক্রবার (১৭ই জুলাই) বিকাল ৫টার দিকে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাসিব আহসান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, গত বুধবার করোনা পরীক্ষার জন্য তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সে রিপোর্ট এখনো আসেনি। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে শ্বাসকষ্ট ও অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে আরাধন বর্মণকে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হলে অবস্থা খারাপ দেখে অক্সিজেন দিয়ে রাতেই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে রাত ২টার দিকে মারা যান তিনি।

এদিকে শুক্রবার সকাল ১০টায় সাহিতপুর কালিবাড়ী শ্মশানঘাটে আরাধন বর্মণের সৎকার করা হয়। এ সময় কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মঈনউদ্দিন খন্দকার ও কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ওসি মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান বলেন, করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়ায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক মরদেহের সৎকার করা হয়েছে।

Please follow and like us:
0
0

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

call now
Poor News
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial