আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতেই রেনু হত্যা

আশেপাশে
0
0

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতেই রেনু হত্যা

রাজধানী বাড্ডায় ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে তাসলিমা বেগম রেনু হত্যার উদ্দেশ্য ছিল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো। প্রায় ১৪ মাস তদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার ১৫ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। বলা হয়, রেনু টার্গেট না থাকলেও এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটানো ছিল পরিকল্পনার অংশ। রেনুর পরিবারের আশা, দ্রুত বিচারের মাধ্যমে আসামিরা শাস্তির মুখোমুখি হবে।

আমানবিক এক ঘটনার শিকার মা রেনু বেগম। ঘটনাস্থল রাজধানীর উত্তর-পূর্ব বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। যেখানে তিনি যান সন্তানের ভর্তির খবর নিতে। সে-সময় তাকে ছেলে ধরা সন্দেহে গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেলা হয়।

আলোচিত এ মামলায় প্রায় ১৪ মাস তদন্ত শেষে দেয়া হয় অভিযোগপত্র। পুলিশ বলছে ১৯ অভিযুক্তের মধ্যে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একজন পলাতক।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, এই ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবেই ঘটানো হয়েছে। একটি মহল নাশকতা এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির জন্যই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। মোট ১৯ জন এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত রয়েছেন।এর মধ্যে ১৫ জনকে আমরা শনাক্ত করতে পেরেছি।

অন্য চার অভিযুক্তের পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করা সম্ভব না হওয়ায় তাদের অভিযুক্ত করা যায়নি। তবে গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িত অব্যাহতিপ্রাপ্ত অভিযুক্তদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ কিংবা গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলে সম্পূরক অভিযোগপত্র জমা দেয়া হবে। পুলিশ জানিয়েছে, দু’জন অভিযুক্ত অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে আলাদা অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে।

অভিযোগপত্র দেয়ায় সন্তোষ জানিয়েছেন রেনুর পরিবার। তবে তাদের দাবি ঘটনায় আরো বেশী লোক জড়িত ছিল।

রেনুর ভাগ্নে ও মামলার বাদি সৈয়দ নাসির টিটু বলেন, আমি এখনও পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতে পারেনি। চার্জশীট যেহেতু হয়ে গেছে এখন আমার প্রত্যাশা যারা গ্রেপ্তার এবং এই মামলার আসামি তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়া। যাতে করে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপরাধ না করে।

রেনুর দুই সন্তান এখন মহাখালীতে তাদের খালায় বাসায় থাকেন।

সূত্রঃ ডিবিসি নিউজ

Please follow and like us:
0
0

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *