না জানিয়ে রাখাইন সীমান্তে সেনা মোতায়েন আন্তর্জাতিক নীতির লঙ্ঘন : মিয়ানমার

আর্ন্তজাতিক
0
0

  না জানিয়ে রাখাইন সীমান্তে সেনা মোতায়েন আন্তর্জাতিক নীতির লঙ্ঘন : মিয়ানমার

মিয়ানমার সীমান্তে সৈন্য সমাবেশের প্রমাণ পেয়েছে বাংলাদেশ। তারা এখনও সেখানে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাখাইনে সন্ত্রাসী কার্যক্রম বেড়ে যাওয়ায় মিয়ানমার সীমান্তে সৈন্য বাড়িয়েছে বলে দাবি করেছে। তবে না জানিয়ে সীমান্তে সেনা মোতায়েন আন্তর্জাতিক নীতির লঙ্ঘন। গেলো ৮ই সেপ্টেম্বর থেকে সীমান্তের ওপারের বিভিন্ন পয়েন্টে মিয়ানমার নতুন করে সেনা সমাবেশ ঘটিয়ে চলেছে। এই সেনা মোতায়েনের গতিবিধি একদিকে যেমন সন্দেহজনক, তেমনি ভীতিকরও। কারণ ২০১৭ সালে এভাবেই সেনা ও বিজিপি সদস্যদের রাখাইন রাজ্যে মোতায়েন করে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে দেয়া হয়েছিল। একইভাবে গত কয়েক দিন ধরে তিনটি পয়েন্টে সেনা মোতায়েন করে তাদের সশস্ত্র টহল দৃশ্যমান করেছে মিয়ানমার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, তারা মাঝে মাঝেই এভাবে সৈন্য মোতায়েন করে এবং এখনো সেখানে সৈন্যরা অবস্থান করছে। আমরা আমাদের পক্ষ থেকে যেকোন সময় যেকোন পরিস্থিতির জন্য তৈরি আছি। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, এই অঞ্চলে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড নাকি বেড়ে গেছে বলে মিয়ানমার আমাদের জানিয়েছে। এ কারণেই তারা তাদের সীমান্তে সৈন্য বাড়িয়েছে যাতে করে তারা সন্ত্রাসী হামলা মোকাবিলা করতে পারে। এ ঘটনায় গেল রবিবার ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে সন্দেহজনক সেনা তৎপরতা বন্ধের বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার কথাও বলা হয়। তবে তারা বাংলাদেশ সীমানার বাইরে রয়েছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোন দেশ যদি সীমান্ত এলাকায় সেনা মোতায়েন করে তাহলে তা পার্শ্ববর্তী দেশকে জানানোর একটি বিধান রয়েছে। কিন্তু মিয়ানমার সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের এমন কোন তথ্য দেয়নি। এতে আমরা সে অসন্তুষ্ট তা আমরা তাদের জানিয়েছি। আমাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনী সবসময়ের মত সতর্ক আছে। বাংলাদেশে রোহিঙ্গা প্রবেশের আর কোন অনুমতি দেয়া হবে না বলেও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

Please follow and like us:
0
0

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *